fbpx fbpx fbpx
দাওয়াতুল ইসলাম ২৪
রবিবার, ০৮, নভেম্বর, ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
কুরআন প্রজেক্টে হাদিয়া দিন

মানবসৃষ্টির বিস্ময়: মাতৃগর্ভে ভ্রূণের বিকাশ নিয়ে কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

নিষেক থেকে পূর্ণাঙ্গ মানবশিশু, একটি কোষের বিস্ময়কর যাত্রা। ভ্রূণের ধারাবাহিক বিকাশের বিভিন্ন ধাপ, কোষ বিভাজন ও মানবদেহ গঠনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সঙ্গে পবিত্র কোরআনের বর্ণনায় উঠে এসেছে সৃষ্টির গভীর তাৎপর্য।

মানুষের জন্ম একটি বিস্ময়কর জৈবিক প্রক্রিয়া। মাতৃগর্ভে একটি ক্ষুদ্র কোষ থেকে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে পূর্ণাঙ্গ মানবদেহ। তৈরি হয় মস্তিষ্ক, হৃদ্‌যন্ত্র, হাড়, পেশি, রক্তনালি ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। যে ভ্রূণকে গর্ভধারণের শুরুর দিকে খালি চোখে দেখা যায় না, সময়ের পরিক্রমায় সেই ভ্রূণই হাত-পা, চোখ-মুখসহ স্বতন্ত্র মানবশিশুর রূপ নেয়।

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এই প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করে ভ্রূণতত্ত্ব বা এমব্রায়োলজি (Embryology) দিয়ে। কোষবিজ্ঞান, জিনতত্ত্ব, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও আণবিক জীববিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে মাতৃগর্ভে মানবজীবনের সূচনালগ্ন থেকে জন্ম পর্যন্ত বিকাশের বহু রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।

অন্যদিকে, পবিত্র কোরআনে মানুষের সৃষ্টির বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে একাধিক আয়াত রয়েছে। সেখানে নুতফা, আলাকা ও মুদগাহসহ কয়েকটি শব্দের মাধ্যমে মানবসৃষ্টির ধারাবাহিক পর্যায় তুলে ধরা হয়েছে। ধর্মীয় বর্ণনা ও বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের নিজস্ব পদ্ধতি থাকলেও উভয় ক্ষেত্রেই মানবসৃষ্টির বিস্ময় মানুষকে গভীরভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে।

নিষেক: মানবজীবনের সূচনালগ্ন

নারী ও পুরুষের প্রজননকোষের মিলনের মাধ্যমে মানবভ্রূণ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়। পুরুষের শুক্রাণু এবং নারীর ডিম্বাণু একত্র হলে তাকে বলা হয় নিষেক বা ফার্টিলাইজেশন। সাধারণত নারীর ফ্যালোপিয়ান টিউবে এ প্রক্রিয়া ঘটে।

একটি শুক্রাণু ডিম্বাণুর আবরণ ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করলে উভয় কোষের জিনগত উপাদান একত্র হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর ফলে তৈরি হয় জাইগোট (Zygote), যাতে সাধারণত ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২৩টি আসে মায়ের ডিম্বাণু থেকে এবং ২৩টি আসে বাবার শুক্রাণু থেকে।

এই একক কোষেই ভবিষ্যৎ শিশুর জিনগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তি নির্ধারিত হয়। চোখের রং, চুলের ধরন, রক্তের গ্রুপসহ বহু বৈশিষ্ট্যের জিনগত নির্দেশনা এতে বহন করা হয়। তবে শিশুর সব বৈশিষ্ট্য কেবল জিনের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় না; পরিবেশ ও বিকাশের নানা বিষয়ও ভূমিকা রাখে।

কোষ বিভাজন: এক থেকে বহু হওয়ার গল্প

নিষেকের পর জাইগোট দ্রুত কোষ বিভাজন শুরু করে। প্রথমে একটি কোষ বিভক্ত হয়ে দুটি, পরে চারটি, আটটি এবং ক্রমান্বয়ে আরও অনেক কোষ তৈরি করে। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ক্লিভেজ (Cleavage)।

এই সময় ভ্রূণের সামগ্রিক আকার খুব বেশি বাড়ে না; বরং একই পরিসরের মধ্যে কোষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কয়েক দিনের মধ্যে কোষগুলোর একটি ঘন গুচ্ছ তৈরি হয়, যার নাম মরুলা (Morula)। এরপর এর ভেতরে তরলপূর্ণ গহ্বর তৈরি হলে সেটি ব্লাস্টোসিস্ট (Blastocyst) পর্যায়ে পৌঁছায়।

সাধারণত নিষেকের প্রায় পাঁচ থেকে ছয় দিন পর ব্লাস্টোসিস্ট জরায়ুর দিকে পৌঁছে যায়। পরবর্তী সময়ে এটি জরায়ুর অভ্যন্তরীণ আবরণে সংযুক্ত হয়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইমপ্লান্টেশন বা ভ্রূণের প্রতিস্থাপন। সাধারণত নিষেকের প্রায় ছয় থেকে দশ দিনের মধ্যে এটি শুরু হয়।

ব্লাস্টোসিস্টের একটি অংশ থেকে ভবিষ্যৎ ভ্রূণ গড়ে ওঠে, আর অন্য অংশ প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল গঠনে ভূমিকা রাখে। প্লাসেন্টার মাধ্যমে মায়ের শরীর থেকে ভ্রূণ প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি পায় এবং ভ্রূণের বিপাকীয় বর্জ্য অপসারণে সহায়তা পায়।

কোরআনে মানবসৃষ্টির পর্যায়

মানবসৃষ্টির ধারাবাহিকতা সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের সূরা আল-মুমিনুনের ১২ থেকে ১৪ নম্বর আয়াতে বিশেষভাবে বর্ণনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মানুষকে প্রথমে মাটির নির্যাস থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। এরপর তাকে শুক্রবিন্দু হিসেবে নিরাপদ স্থানে স্থাপন করা হয়েছে। পরে সেই শুক্রবিন্দুকে আলাকা, আলাকাকে মুদগাহ এবং মুদগাহ থেকে অস্থি সৃষ্টি করে অস্থিকে মাংস দিয়ে আবৃত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সবশেষে তাকে দেওয়া হয়েছে নতুন এক সৃষ্টির রূপ। এই আয়াতগুলোতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আরবি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।

নুতফা (نطفة): সাধারণ অর্থে অতি ক্ষুদ্র তরলবিন্দু। মানবসৃষ্টির প্রসঙ্গে প্রজনন তরল বা তার অংশবিশেষ বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। সূরা আল-ইনসানের দ্বিতীয় আয়াতে ‘নুতফাতিন আমশাজ’ শব্দবন্ধের মাধ্যমে মিশ্র তরলবিন্দুর কথা বলা হয়েছে। অনেক তাফসিরকার এ ব্যাখ্যায় নারী ও পুরুষের প্রজনন উপাদানের সংমিশ্রণের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

আলাকা (علقة): আরবি শব্দটির অর্থের মধ্যে লেগে থাকা, ঝুলে থাকা এবং জোঁকের মতো আকৃতির ধারণা রয়েছে। ভ্রূণের প্রাথমিক বিকাশে জরায়ুর দেয়ালে সংযুক্ত হওয়ার বিষয়টির সঙ্গে এ শব্দের একটি অর্থগত সম্পর্ক খুঁজে পান অনেক গবেষক। তবে শব্দটির অনুবাদ ও ব্যাখ্যা নিয়ে ভাষাতাত্ত্বিক ও তাফসিরবিদদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে।

মুদগাহ (مضغة): এর অর্থ চিবানো মাংসপিণ্ড বা চর্বিত মাংসের ছোট টুকরা। ভ্রূণের প্রাথমিক গঠন পর্যায়ে এর আকৃতির সঙ্গে এই উপমার তুলনা করা হয়।  তবে কোরআনের এসব শব্দকে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের নির্দিষ্ট কোষীয় পর্যায়ের সরাসরি প্রতিশব্দ হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়। এগুলো ধর্মীয় ভাষায় মানবসৃষ্টির বিভিন্ন অবস্থার বর্ণনা। আর আধুনিক ভ্রূণতত্ত্বে কোষ, টিস্যু ও অঙ্গের বিকাশকে নির্দিষ্ট সময় ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়।

ভ্রূণের গঠন: প্রথম আট সপ্তাহের বিস্ময়

নিষেকের পর প্রথম আট সপ্তাহ মানবভ্রূণের বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময় কোষগুলো শুধু সংখ্যায় বাড়ে না, বরং বিশেষায়িত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গ ও টিস্যু তৈরির কাজ শুরু করে।

নিষেকের প্রায় তৃতীয় সপ্তাহে ভ্রূণের তিনটি প্রাথমিক কোষস্তর তৈরি হয়। এগুলো হলো এক্টোডার্ম, মেসোডার্ম ও এন্ডোডার্ম। এই তিন স্তর থেকেই পরবর্তী সময়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গড়ে ওঠে।

এক্টোডার্ম থেকে মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র ও ত্বকের বাইরের স্তর তৈরি হয়। মেসোডার্ম থেকে হাড়, পেশি, হৃদ্‌যন্ত্র, রক্ত ও রক্তনালির মতো কাঠামো গড়ে ওঠে। অন্যদিকে এন্ডোডার্ম থেকে পরিপাকতন্ত্র, শ্বাসতন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অঙ্গের অভ্যন্তরীণ আবরণ তৈরি হয়।

চতুর্থ সপ্তাহের দিকে হৃদ্‌যন্ত্রের প্রাথমিক গঠন ও স্পন্দন শুরু হয়। মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের ভিত্তিও এ সময় তৈরি হতে থাকে। পঞ্চম থেকে অষ্টম সপ্তাহের মধ্যে হাত-পায়ের কুঁড়ি, চোখ, কান, মুখমণ্ডল এবং বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ অঙ্গের প্রাথমিক কাঠামো গড়ে ওঠে।

অষ্টম সপ্তাহের শেষ দিকে ভ্রূণের প্রধান অঙ্গগুলোর প্রাথমিক গঠন সম্পন্ন হওয়ার পথে থাকে। এরপর নবম সপ্তাহ থেকে জন্ম পর্যন্ত বিকাশমান শিশুকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ফিটাস বা গর্ভস্থ শিশু বলা হয়। 

দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিক: পূর্ণাঙ্গ মানবদেহের প্রস্তুতি

গর্ভাবস্থার ১৪ থেকে ২৭ সপ্তাহকে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক বলা হয়। এ সময়ে ভ্রূণের দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুত হয়। হাড় শক্ত হতে থাকে, হাত-পায়ের নড়াচড়া আরও সমন্বিত হয় এবং শ্রবণশক্তির বিকাশ ঘটে। গর্ভের শিশু মায়ের পেটে নড়াচড়া করে, আঙুল নাড়ায় এবং বিভিন্ন শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে।

প্রায় ১৭ থেকে ২০ সপ্তাহের দিকে অনেক মা প্রথমবারের মতো শিশুর নড়াচড়া অনুভব করেন। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানে কুইকেনিং বলা হয়। এ সময় শিশুর শরীরে সূক্ষ্ম লোম বা লানুগো তৈরি হয়। আঙুলের ডগায় গড়ে উঠতে থাকে স্বতন্ত্র ছাপের ভিত্তি।

২৮ সপ্তাহ থেকে শুরু হয় তৃতীয় ত্রৈমাসিক। এ সময় শিশুর ওজন দ্রুত বাড়ে। মস্তিষ্ক, ফুসফুস ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশ চলতে থাকে। ফুসফুসে সারফ্যাকট্যান্ট নামের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদার্থ তৈরি হয়, যা জন্মের পর স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়।

গর্ভাবস্থার শেষ কয়েক সপ্তাহে শিশুর শরীরে চর্বি জমে, হাড় আরও শক্ত হয় এবং জন্মের জন্য শরীর প্রস্তুত হতে থাকে। সাধারণত শেষ মাসিকের প্রথম দিন থেকে হিসাব করলে প্রায় ৪০ সপ্তাহে পূর্ণ গর্ভকাল সম্পন্ন হয়।

বিজ্ঞান ও ধর্ম: বিস্ময়ের ভিন্ন দুই দৃষ্টিভঙ্গি

আধুনিক ভ্রূণতত্ত্ব মানবসৃষ্টির প্রতিটি ধাপকে পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করে। অন্যদিকে কোরআন মানুষকে তার সৃষ্টির উৎস, অস্তিত্ব ও সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতা নিয়ে চিন্তা করতে আহ্বান জানায়।

সূরা আল-হাজ্জের ৫ নম্বর আয়াতেও মানুষের সৃষ্টির বিভিন্ন পর্যায়ের উল্লেখ রয়েছে। সেখানে অপূর্ণাঙ্গ ও পূর্ণাঙ্গ আকৃতির কথা বলা হয়েছে। ভ্রূণের বিকাশের ধারাবাহিকতা বোঝার ক্ষেত্রে আয়াতটি মুসলিম চিন্তাবিদদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

এ বিষয়ে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, কোরআন কোনো আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাঠ্যবই নয়। তাই এর প্রতিটি শব্দের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের কোনো একটি নির্দিষ্ট পর্যায়কে জোর করে মেলানোর প্রয়োজন নেই। বরং ধর্মীয় বর্ণনার ভাষাগত ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বিজ্ঞানের পরীক্ষালব্ধ তথ্যকে নিজ নিজ জায়গা থেকে বোঝাই অধিক যুক্তিসংগত।

মানবভ্রূণের বিকাশ নিয়ে ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক আলোচনায় গবেষণার আগ্রহও দীর্ঘদিনের। ২০১৬ সালে Medicina nei Secoli সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় কোরআনে ব্যবহৃত নুতফা, আলাকা ও মুদগাহ শব্দের ভাষাগত অর্থ, ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা এবং ভ্রূণ বিকাশের বর্ণনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

একটি কোষ থেকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ

মানবজীবনের সূচনা হয় একটি নিষিক্ত ডিম্বাণু থেকে। এরপর ধারাবাহিক কোষ বিভাজন, কোষের বিশেষায়ন, টিস্যু গঠন এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিকাশের মধ্য দিয়ে তৈরি হয় একটি পূর্ণাঙ্গ মানবদেহ। এ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত। জিনগত নির্দেশনা, কোষের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক সংকেতের সমন্বয়ে ভ্রূণের বিকাশ এগিয়ে চলে।

এত ক্ষুদ্র একটি কোষের মধ্যে ভবিষ্যৎ মানবদেহ গঠনের জিনগত নির্দেশনা বহন করা এবং সুনির্দিষ্ট নিয়মে কোটি কোটি কোষের সমন্বয়ে একটি জীবন্ত শরীর তৈরি হওয়া নিঃসন্দেহে প্রকৃতির অন্যতম বিস্ময়।

পবিত্র কোরআনের ভাষায়, মানুষ যেন তার সৃষ্টির কথা স্মরণ করে। সূরা আত-তারিকের ৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, মানুষ যেন চিন্তা করে দেখে তাকে কী থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই আহ্বান কেবল ধর্মীয় উপলব্ধির বিষয় নয়, মানবজীবনের উৎস ও বিকাশ নিয়ে জানার আগ্রহকেও উসকে দেয়।

মাতৃগর্ভে একটি ক্ষুদ্র কোষের ক্রমবিকাশ থেকে পৃথিবীর আলো দেখা পর্যন্ত এই দীর্ঘ যাত্রা তাই শুধু একটি জৈবিক প্রক্রিয়া নয়; এটি মানব অস্তিত্বের গভীরতম বিস্ময়গুলোর একটি।

মন্তব্য