fbpx fbpx fbpx
শনিবার, ১৮, জুলাই, ২০২৬ , ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

মানব অল্প জ্ঞান ও অধিক জিকির: তাফসীর, হাদিস, দর্শন ও আধুনিক প্রেক্ষাপটে

ভূমিকা

আল্লাহ তা’আলা কুরআনে বলেছেন, وَمَاأُوتِيتُمْمِنَالْعِلْمِإِلَّاقَلِيلًاতোমাদেরকে খুবই অল্প জ্ঞান দেওয়া হয়েছেislamicstudies.infomuslimbangla.comঅন্যদিকে একই কুরআনে এরই পরিপ্রেক্ষিতে অবলম্বন করা হয়েছেيَاأَيُّهَاالَّذِينَآمَنُوااذْكُرُوااللَّهَذِكْرًاكَثِيرًاহে মুমিনবৃন্দ, তোমরা অধিক পরিমাণে আল্লাহর নাম স্মরণ করোcorpus.quran.comcorpus.quran.comআমাদের জীবনকাল খুব স্বল্প এবং অস্থায়ী, তবু এই নির্দেশনাগুলো আল্লাহ প্রদান করেছেন। ভিন্ন দিক থেকে বিবেচনা করলে দেখা যায়, মানুষ পদার্থবিজ্ঞানে চন্দ্রযান পাঠিয়েছ, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারসহ অসংখ্য উন্নতি সাধন করেছে – এগুলোকে সংখ্যা দিয়ে গণনা করা কঠিন। কিন্তু এই অর্জন সত্ত্বেও আল্লাহ বলেছেন জ্ঞান পেয়েছঅল্প”এক দিকে আমাদের অর্জন, অন্য দিকে এই “অল্প” কথা, আবার জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে – স্বল্প সময়ের মধ্যে কীভাবে অধিক পরিমাণে জিকির করা সম্ভব? এই দ্বন্দ্ব-সংশয় নিয়ে এই প্রবন্ধে তাফসীর, হাদিস, দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আধুনিক উদাহরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

অল্প জ্ঞানের অর্থ ও তাফসীর

সূরা ইসরা (১৭:৮৫)-এ বলা হয়েছে, তোমাদেরকে আল্লাহ খুবই অল্প জ্ঞানই দান করেছেন”islamicstudies.infoএই আয়াতে ‘رُوح’ (আত্মা/রুহ) শব্দটি নিয়ে তাফসীরে ব্যাখ্যা আছে। শাহ সইদ আবু আলা মউদূদী উল্লেখ করেছেন, এখানে ‘রুহ’ দ্বারা ইঙ্গিত ‘রহমতপ্রাপ্ত বাণী (ওহী বা ফেরেশতা জিবরাইল)’কে বোঝানো, আর মানুষদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে যে তাদের জানার ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিতislamicstudies.infoতাফসীরে আরও বলা হয়েছে, তোমাদের জ্ঞান এতই নগণ্য যে তোমরা মানবসৃষ্টি ও আল্লাহ প্রদত্ত বাণীর পার্থক্য করতে পারো না”islamicstudies.infoঅর্থাৎ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্য থেকে শুরু করে সৃষ্টির সূক্ষ্মতা সবই আল্লাহর অজানার অন্তর্গত; মানুষের আঁচ ভেতর মাত্র এক ফোঁটা। এক হাদিসে মুসা ও আল-খিদ্রের ঘটনাও এরই প্রশংসা করে, যেখানে আল-খিদ্র বলেন, আমার তোমার জ্ঞান ও তোমার বিরুদ্ধে আল্লাহর জ্ঞানের যা অগ্রগতি আছে, তা এই নৌকার ফাটলের এক ফোঁটা মাত্র”এটি বুখারীসহ সাহিহ সকল হাদিস গ্রন্থে মুসাদ্দাদ হয়েছে (বাস্তবে আল্লাহর জ্ঞানের সঙ্গে মানুষের জ্ঞান তুলনা করা যথেষ্ট অর্থপূর্ণislamweb.net)

উপরের আয়াতের তাফসীর অনুযায়ী, মানুষঅল্প ইলমপেয়েছেmuslimbangla.comislamicstudies.infoইসলামী গ্রন্থে লিখিত আছে, মানুষকে আল্লাহ অল্প ইলম দিয়ে সৃষ্টি করেছেন; সে নিজের বুদ্ধি-বিবেক দিয়ে কখনো সঠিক পথ খুঁজে পায় না”muslimbangla.comঅর্থাৎ মানুষ নিজস্ব প্রচেষ্টায় সঠিক জ্ঞান লাভ করে না; বরং আল্লাহর দান ছাড়া অন্ধকারেই থাকে। তাই আল্লাহ তা’আলা সরাসরি বলেন, তিনি বান্দাদের সঠিক পথ দেখান (আল-হাদি)muslimbangla.comএকই জ্ঞানভিত্তিক সীমাবদ্ধতা আল্লাহ আরো অনেক আয়াতে নির্দেশ করেছেন; যেমন সূরা নাহলে (১৬:৭৮)-এ বলা হয়েছে, আল্লাহ তোমাদের মায়ের গর্ভ থেকে এমন করে বের করেছে যে তোমরা কিছুই জানো না; তারপর তোমাদের জন্য কান, চোখ ও অন্তর তৈরি করেছে যাতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারো”muslimbangla.comঅর্থাৎ মানুষ জন্মের সময় একদম নীরবতা-অজ্ঞতায় (অন্ততধিকা কোনো বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান ছাড়া), তারপর আল্লাহ তাকে শেখাচ্ছেন দেখার-শুনার ক্ষমতা এবং চিন্তা করার দক্ষতাmuslimbangla.comতারবাবদে মানুষের বুদ্ধি-জ্ঞানে সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট।

মানুষের আবিষ্কার-বৈজ্ঞানিক উন্নতি বনাম সীমিত জীবনকাল

আজকের বিশ্বে মানুষ মহাকাশযান প্রেরণ, নিউক্লিয়ার শক্তি, জেনেটিক্স, ইন্টারনেট ও এ.আই. অগ্রগতি করে চলেছে। অণু, জিন, গ্রহ, ‘ক’ণার’ মতো ক্ষুদ্রতম সৃষ্টির রহস্য উন্মোচন করছে। প্রতিদিন আকাশে নতুন নক্ষত্রগুচ্ছ আবিষ্কৃত হচ্ছে। এই সব আবিষ্কারের সংখ্যা গুণে শেষ করা মুশকিল। তথাপি এসব শিল্পসুত্র, ম্যাথম্যাটিক্স, আপারেচারের হাজারো প্রগতি হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ বলেছেন জ্ঞান পেয়েছঅল্প”islamicstudies.infoএটাই মানবতা সচেতন হওয়া উচিত, যেন আমরা অহংবোধ না করি। বুখারীতে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন, উইলির এই জ্ঞান হলো এ পৃথিবীতে মানুষের মাঝে সবচেয়ে ভালো জিনিস; কিন্তু সবচেয়ে জানাশোনা লোকও গিনে শেষ করার মত জ্ঞানপেয়েছ।” (শমসুল হাদি উল্লেখ করেনে, এই হাদিস অনলাইন তথ্যভাণ্ডারে সহজলভ্য)। অর্থাৎ এ জগতের জ্ঞান অতি অল্প, কিন্তু মনুষ্যের জ্ঞানগ্রহণে প্রবৃত্তি যেন সীমাহীন।

এমন অবস্থায় ঈমানদারের দায়িত্ব হয় বিনম্র থাকা এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। বিস্তীর্ণ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে অল্পক্ষনের ভেতর আবিষ্কার করে ফেলেও নিজ মেহনতের গর্বে পরিপূর্ণ হলে চলবে না। বরং এটা উপলব্ধি করতে হবে যে, এই জ্ঞান-গতিগুলো সবই আল্লাহরই দান এবং অবিকল যাদুবলের মতো, যেমন সূরা তহায়াতে (২০:৫০)-এ উল্লেখ আছে, আল্লাহ সব সৃষ্টি কে নির্দিষ্ট আকার ও পথ দেখিয়ে দিয়েছেনmuslimbangla.comবিজ্ঞানীরা কোনো জিনিস নতুন করে তৈরি করেনি; শুধুই আল্লাহ প্রদত্ত ফিৎরতের বুদ্ধিবৃত্তি কাজে লাগিয়েছে। এজন্য আমাদিগকে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে তাঁকে স্মরণ করতে হবে।

অধিক জিকিরের প্রয়োজন ও তাৎপর্য

সূরা আল-আজাব (৩৩:৪১)–এ প্রত্যেক মুমিনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছেতোমরা বেশি পরিমাণে আল্লাহর নাম স্মরণ করো”corpus.quran.comঅর্থাৎ ভাষায়, মনে ও কাজে সর্বত্র আল্লাহর স্মরণ করা উচিত (মকতুবুল্লাহ বা জিকির নামে পরিচিত)। এই আদেশের গুরুত্ব বোঝাতে অন্যত্র সূরা আল-আদিয়াতে (৭৪:১৫-১৬) বলা হয়েছে, যারা অধিক জিকির করে তাদের জন্য আল্লাহক্ষমা ও মহা প্রতিদানপ্রস্তুত রেখেছেনcorpus.quran.comবিশেষ করে সূরা আজাব ৩৩:৪১-৪২-এ বলা হয়েছে, আল্লাহর নাম প্রভাতে এবং বিকালে (ফজর ও আসর নামাজের সময়) বেশি করে স্মরণ করো”muftisays.comcorpus.quran.comমানে শুধু মৌখিক উক্তি নয়, বরং হৃদয়ে ভয়ের অনুভূতি ও কৃতজ্ঞতায় গভীরভাবে অনুভূত হলে আরও সুফল।

হাদিসে পাওয়া যায়, দুই উক্তি রয়েছে যা জিহ্বায় সহজ, নেক-ওজনার ভারে এবং পরম রহমনের প্রিয়: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’, ‘সুবহানাল্লাহিল-আজীমি’।” (বুখারি ও মুসলিম) এবংসব দিন-রাতে কোটি কোটি বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ উচ্চারণ করলে প্রথমবার উচ্চারণের চেয়েও বহু অধিক ফল পাওয়া যাবে।” (নাসাঈ)। এছাড়ালাইলাতুল কদরে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু wahdahu la sharika lah…একবার পাঠ করা হাজার উক্তি সমান” (মিশকাত, তিরমিজি) – এই সবসহগৃহীত হাদিস দেখায় যে সাধারণ মনে হয় সেসব সহজ শব্দগুলিকেই আল্লাহ সেরা পুরস্কার দান করেছেন। সারাদিন-বেলা-রাত আল্লাহকে স্মরণ ও বানী স্মরণে আত্মসমর্পণ করা হচ্ছে এমন মুমিনদের জন্য জন্নাত ও প্রশংসা উপহার প্রতীক্ষা করছেcorpus.quran.commuftisays.com

মানুষের স্বল্পায়িত জীবনকালকে বিবেচনায় নিয়ে বেশি সময় ব্যয় করতে হবে এই ইবাদাত-অনুশীলনে। হাদীসে আছে, দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার এবং কাফেরের জন্য বাগান” (সহীহ মুসলিম)islamweb.netঅর্থাৎ ইমানদার অন্তহীন পরকাল (স্বর্গ) প্রত্যাশায় এ জীবনকে কাঁচের পিন্ডের মতো সংকীর্ণ মনে করে; তাই এ স্বল্পায়ুতে যত বেশি আল্লাহর স্মরণ হবে, ততই তার পরকাল প্রসারিত হবে। আর কাফেরের জন্য দুনিয়া যতই বড় মনে হোক, পরকালের কঠোরতা দেখলে তার জন্য এ জীবন স্বর্গসদৃশ মনে হয়islamweb.net

অতিরিক্ত জিকিরের কল্যাণআমরা তেমন কিছু বলার ছাড়াও মুসলিম বিদগ্ধরা যেভাবে তুলে ধরেছেন, তা অতি গুরুত্বপূর্ণ। জিকির শুধু মৌখিক উচ্চারণ নয়; হৃদয়, মন এবং কাজের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভীরুতা প্রকাশ। সুতরাং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ প্রতিটি কাজেই ‘আল্লাহু আকবর, আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ’ ইত্যাদি উচ্চারণ এবং ধ্যানধারণা বাড়ানো হবে। এক পর্যায়ে এটিকে দৈনন্দিন অভ্যাস করে নিতে হবে।

আধুনিক প্রেক্ষাপট ও উদাহরণসমূহ

আজকের দ্রুত পরিবর্তিত পৃথিবীতে প্রযুক্তি-বিদ্যার বিস্ময়কর দুনিয়া বিরাজমান। নিচে কিছু আধুনিক উদাহরণ দেওয়া হলো যেগুলো মানুষ পেয়েছে, কিন্তু এর মধ্যেও জীবন ও জ্ঞানের সীমা সচেতন থাকতে হবে:

·         বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি:মহাকাশে উৎক্ষেপণ, ন্যানো-প্রযুক্তি, জেনোম প্রকল্প – মানুষ এতদূর এগিয়েছে। তবে ব্লকচেইন বা সাইবারনেটিক্সের নতুন আবিষ্কার এসে গেলেও দেখাবে, প্রকৃতি-নিয়ম চালায় আল্লাহ।

·         চিকিৎসা-উন্নতি:জীবাণু, ভ্যাকসিন, ইমার্জিং ডিজিজ নিয়ন্ত্রণ - অবিশ্বাস্য উন্নতি। কিন্তু এক ড্রাগ উন্নত করলেও আল্লাহর ছুটি ছাড়া রোগীকে সুরক্ষা মেলে না।

·         দিগন্ত বিবর্ধক যোগাযোগ:ইন্টারনেট, স্মার্টফোন, স্যাটেলাইট – মুহূর্তে বিশ্বসংযোগ। অথচ সারা বিশ্ব আবিষ্কার হলেও অধিকাংশ মানুষ মোবাইলে ফেসবুক-ইউটিউবে নিমগ্ন; তেমন কয়জন কুরআন-স্মরণে ব্যস্ত?

·         সামাজিক পরিবর্তন:বিচারব্যবস্থা, মানবাধিকার, আইনসৃজনশীলতা – এগুলি উন্নত হলেও এখনও দুর্নীতি, দ্বন্দ্ব ও দুষ্টাচরণ রোধ হয় না; কারণ মূলত আল্লাহর স্মরণে উদাসীনতা।

এই উদাহরণগুলো দেখালে বোঝা যায়, উচ্চ প্রযুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা সম্মিলিত হলেও মানব মনকে আল্লাহর স্মরণে ব্যস্ত রাখেনা। বরং প্রযুক্তি কৃর্তিসাধন প্রতি রোজ ক্ষণান্তরে যত সুযোগ দেয়, আমাদের কর্তব্য সেই সুযোগে আল্লাহর দয়ালুতা স্মরণ করা।

উপসংহার

সব মিলিয়ে দেখা গেল, কুরআন আমাদের উদ্দেশ্য ও সঠিক জীবনব্যবস্থা স্পষ্ট করে দেয়। যতই মানুষ বিজ্ঞানে অগ্রসর হোক, তার জ্ঞান সম্মান করে না, বরং এটিকেসীমিতবলছেislamicstudies.infoislamicstudies.infoএর মানে পরামর্শ হচ্ছে – অর্জিত জ্ঞান আর সৃষ্টির বিস্ময় থেকে মানুষ আল্লাহর গুণগান শিখুক এবং বিনয়ী হোক। একইসঙ্গে স্বল্পায়ুয় জীবনে বেশি পরিমাণে আল্লাহর নাম স্মরণ করার নির্দেশও দিয়েছেনcorpus.quran.comcorpus.quran.comকারণ সত্যিকার জীবনের স্বপ্ন আসলে পরকালে পূরণ পাবে। অতএব আমাদের অবশিষ্ট সময় তাড়াতাড়ি জিকির, কুরআনপাঠ ও নেক কাজে ব্যয় করা উচিত। আধুনিক উদাহরণ দেখিয়েছেও, জ্ঞান-উদ্ভাবনে অগ্রগামী হলে কী হয়েছে – মানব মন স্থির না হয়ে অতিরিক্ত আহ্লাদকর পরিবর্তনের পিছে ছুটছে। কিন্তু কুরআন নির্দেশ দেয় স্থিরচিত্তে পরকাল-স্মরণে ব্যস্ত থাকারcorpus.quran.com

সারসংক্ষেপে, জ্ঞান-অর্জন ও স্মৃতির মাঝে ভারসাম্যথাকা জরুরি। আমাদের জ্ঞান অতি নগণ্য হলেও সেই জ্ঞান নষ্ট করতে যাব না; বরং জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহর সৃষ্টি চিনে তার লাতিফ রহস্য উপলব্ধি করে ইবাদতে ব্যস্ত থাকব। সময় স্বল্প, তাই আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বেশি জিকির করব। যেমন সূরা আয-আজাবে জানানো হয়েছে, যারা আল্লাহকে বেশি স্মরণ করে তাদের জন্য ক্ষমা ও মহা প্রতিদান বেঁধে রেখেছেcorpus.quran.comঅতএব এই ছোট্ট জীবনটুকুর সবটুকুই আল্লাহর স্মরণে ব্যয় করি; কারণ সৃষ্টির প্রতিটি দানই তাঁরই রহমতের সাক্ষ্য।

উৎস ও তথ্যসূত্র:উপরোক্ত আলোচনায় কুরআনের আয়াত ও অর্থাদি ইসলামিক তাফসীর ও হাদীস সংকলনের আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়েছেislamicstudies.infoislamicstudies.infocorpus.quran.comcorpus.quran.commuslimbangla.commuslimbangla.com এসব চিত্রিত বক্তব্যই প্রবন্ধে আলোচিত তত্ত্বের ভিত্তি।

মন্তব্য