Dawatul Islam | ভারতের গণমাধ্যমে ভুয়া/ভিত্তিহীন সংবাদ: কিছু উদাহরণ ও বিশ্লেষণ

সোমবার, ১৩, এপ্রিল, ২০২৬ , ২৯ চৈত্র ১৪৩২

ভারতের গণমাধ্যমে ভুয়া/ভিত্তিহীন সংবাদ: কিছু উদাহরণ ও বিশ্লেষণ
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৯:৫৮ মিনিট

গত ১৫ মাসে (প্রায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত) ভারতের বিভিন্ন টেলিভিশন নিউজ চ্যানেলে বিশেষ করেরিপাবলিক টিভিআজতকসহ অনেকে রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার করেছে। নিচে কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো, যেগুলো নির্ভরযোগ্য ফ্যাক্ট-চেক সূত্রে (যেমন Alt News, BOOM Live, India Today fact-checkইত্যাদি) ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে:

মনিপুরের ‘এক্সক্লুসিভ’ ভিডিও – রিপাবলিক টিভি

সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ রিপাবলিক টিভি একটি ৩১-সেকেন্ডের ভিডিও সম্প্রচার করে দাবি করে যে মনিপুরের কোনো গ্রামে সন্ত্রাসীরা MANPADS’ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ছে। চ্যানেলটি শিরোনামে exclusive”বলেছিল ভিডিওটি মনিপুর থেকে পাওয়া  দৃশ্য altnews.inপরে Alt News-এর অনুসন্ধানে দেখা যায়, আসলে ওই ভিডিওটি মিয়ানমারের কাচিন অঞ্চল থেকে তোলা – নাগা সশস্ত্র গোষ্ঠী (KIA)একটি মিয়ানমার সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার ঘটনাটি দেখানো হচ্ছে altnews.inaltnews.inমনিপুর পুলিশও টুইট করে নিশ্চিত করেছে যে এই ভিডিও মনিপুরের নয় altnews.inঅর্থাৎ রিপাবলিক TVর বিশেষ প্রতিবেদনটি ভুয়া এবং ভুল উৎসের ভিডিও।

  • মূল বিষয়:রিপাবলিকে দেখানো ছায়াছবিতে মিছিলে নয়, এক বালক MANPADSলঞ্চার ধরে রয়েছে (দেখানো হয় একটি হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছে)। চ্যানেলটি দাবি করেছিল এটি মনিপুরের পররাষ্ট্রদলীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান।
  • ভুয়া কেন:Alt NewsPIB fact-checkঅনুসারে ভিডিওটির আসল উৎস ছিল মিয়ানমার (কাচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মি এবং মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ) altnews.inaltnews.inমনিপুর পুলিশ স্পষ্ট জানায় ভিডিওটি মানিপুরের নয় altnews.in
  • রাজনৈতিক/সামাজিক প্রভাব:এই ধরনের মিথ্যা খবর উত্তেজনা ছড়াতে এবং মনিপুরে উত্তেজনা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।  স্থানীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ভুল ধারণা সৃষ্টি হয় এবং সমাজে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়।
  • প্রচার পদ্ধতি ও ভাইরাল হওয়ার কারণ:রিপাবলিক চ্যানেলের লাইভ স্টুডিও বিতর্ক অনুষ্ঠান এবং তাদের টুইটার হ্যান্ডলে এই ভিডিওটি #ThisIsExclusiveহ্যাশট্যাগ দিয়ে প্রচার করে। নাটকীয় শব্দ, টিকারের মাধ্যমে সংবাদটি হাইলাইট করে প্রচার করা হলে তা দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া দেশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ (যেমন মনিপুরের বিজেপি নেতা) টুইট করে এই ভিডিওটি শেয়ার করায় ব্যাপক দর্শকসংখ্যা আকর্ষণ করে।

ভুয়া নির্বাচন জরিপ – ABP Newsও আজতক ভিডিও

২০২৫-এর দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুইটি বিরল “নির্বাচনী জরিপ” ভিডিও ভাইরাল হয় – একটি ABP News-কে, আরেকটি আজতককে নকল করে তৈরী। প্রথমটিতে দাবি ছিল শীর্ষ বর্বরণা AAP৫৮–৬০ আসন পেতে যাচ্ছে এবং বিজেপি ১০–১২ আসন পাবে altnews.inভিডিওটির টিকারে ABPসংবাদ সংবাদের একজন সাংবাদিককে দেখানো হলেও, পরে ABP Newsস্বীকার করে যে তাদের কোনো জরিপ প্রকাশিত হয়নি altnews.inaltnews.inঅন্য ভিডিওটিতে আজতকের ইনক্রেডিবল জরিপ দাবি করা হয় যে AAP৫৬–৫৮ আসনে জয়ী হবে altnews.in; কিন্তু আজতকের নিজস্ব ফ্যাক্ট-চেকে বলা হয়েছে তারা এমন কোনো জরিপ করেনি এবং ভিডিওটির ব্যাকগ্রাউন্ডে AI-আধারিত কন্ঠ ব্যবহার করা হয়েছে altnews.in

  • মূল বিষয়:নির্বাচনের ঠিক আগে হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার ইত্যাদিতে একটি ABP-লোগোযুক্ত ভিডিও প্রচারিত হয়, যেখানে AAPসরব জয়ী হিসেবে দেখানো হয় altnews.inএকইরকম আরেকটি ভিডিও আজতক লোগোসহ শেয়ার হয়।
  • ভুয়া কেন:ABP Newsও আজতক উভয়েই স্পষ্ট করে জানায় যে তারা কোনো জরিপ করেনি altnews.inaltnews.inAlt News-এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে ভিডিওগুলোর অডিওর কন্ঠ ম্যানিপুলেট করা এবং বিভিন্ন ফুটেজ যোগ-মিশ্রণ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আজতকের প্রাঙ্কটিক অনুচ্ছেদগুলি AI-ভয়েস দ্বারা মডিফাই করা বলে চ্যানেলটি জানিয়েছে altnews.in
  • রাজনৈতিক প্রভাব:এই ধরনের মিথ্যা জরিপ সংবাদ নির্বাচনী পরিসরে বিভ্রান্তি ছড়ায়, ভোটারদের ধারণাকে প্রভাবিত করে। ভোটের আগে অপে ক্ষেপণাস্ত্রের মতো প্রতিবেশ তৈরি করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ায়।
  • প্রচার ও ভাইরাল কারণ:ভিডিওগুলো মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এগুলো শেয়ার করে, গণমাধ্যমের ব্র্যান্ড লোগো থাকায় বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। বিশেষ করে নির্বাচন-নিয়োজিত সময়ে জনপ্রিয়তা এবং উত্তেজনাপূর্ণ শিরোনাম থাকায় দ্রুত ভাইরাল হয়। (উদাহরণস্বরূপ, AAPনেতার টুইট এবং ফেসবুক পেজে দুটি ভিডিও শেয়ার হয় এবং হাজার হাজার লাইক-শেয়ার পায়।) altnews.inaltnews.in

অপারেশন সিনদূরের সময় পুরনো ফুটেজ – আজতক এবং অন্যান্য

মে ২০২৫-এ ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত উত্তেজনার সময়ে কিছু বাংলা ও হিন্দি চ্যানেল বিভ্রান্তিকর ভিডিও দেখিয়েছে। অযাচিত ভাবে গাজা বা ইসরায়েলের পুরনো যুদ্ধভিডিও ভারতের ভারতীয় সামরিক কার্যক্রম হিসেবে ছড়ানো হয়। উদাহরণস্বরূপ, আজতকের সংবাদে সবার চোখে রাখা হয় ৪ বছর পুরনো ইসরায়েলের ‘আইরন ডোম’ ডিফেন্স সিস্টেমের ভিডিও, যা দেখানো হয় ২০২৫ সালের Jaisalmer-এর অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিমান প্রতিরোধের চিত্র হিসাবে cjp.org.inএমনকি হামাস/ইসরায়েল সংঘর্ষের পুরনো হামলার দৃশ্য ভারতের বিমান হানার হিসেবে প্রচার করা হয় cjp.org.inনাগরিক অধিকার সংগঠন CJP-সহ বিভিন্ন সূত্র অভিযোগ করেছে এসব সাফল্যজনক প্রচার ছিল ভুয়া/বিপথপ্রদ।

  • মূল বিষয়:ভারতীয় সংবাদ চ্যানেলগুলো ভারত-পাকিস্তান সংঘাত উত্তপ্ত হওয়ার সময় ইসরায়েল বা গাজা যুদ্ধের পুরনো দৃশ্য ভারতীয় “অভিযান” হিসেবে দেখায় cjp.org.incjp.org.in
  • ভুয়া কেন:CJP-এর অভিযোগ অনুযায়ী, উল্লিখিত ভিডিওগুলো সম্পূর্ণ পুরনো – গাজা/ইসরায়েলের সংঘাতের সময়ের; কিন্তু এগুলো ভুয়োরূপে “ভারতের অগ্নিসংযোগ” দেখানো হয়েছে cjp.org.incjp.org.inসরকারি সূত্র বা স্বাধীন উৎস এই দাবিগুলোকে “বানোয়াট” বলে চিহ্নিত করেছে।
  • প্রভাব:এমন মিডিয়া হাইপারবোলিক কভারেজের ফলে সীমান্তবর্তী জনমনে আতঙ্ক বেড়েছে এবং অযথা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সশস্ত্র সংঘাতের সময় গুজব ছড়িয়ে প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজন পড়েছে (উদাহরণস্বরূপ, সরকার “সিরেন বাজানোর” ঝুঁকির কারণে মিডিয়াকে সতর্ক করে) institute.aljazeera.netcjp.org.in
  • প্রচার ও ভাইরাল কারণ:এসব ভিডিও টিভি নিউজের শিরোনাম, লাইভ টকশো এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে দ্রুত ছড়ানো হয়। বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা বা বাহিনীর অর্জন বিষয়ে নাটকীয় উপস্থাপন জনপ্রিয়তা পায়। যুদ্ধকোণের দৃশ্য দেখিয়ে স্টুডিওতে ‘যুদ্ধকালীন পরিবেশ’ তৈরি করে নিউজ চ্যানেলগুলো বিপুল দর্শক টানতে চায় institute.aljazeera.net

পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী সংক্রান্ত গুজব – রিপাবলিক ও অন্যান্য

এপ্রিল ২০২৫-এ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি “গোপন অফিসিয়াল চিঠির” ভুয়া কপি ছড়ানো হয়, যেখানে দাবি করা হয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি আছেন altnews.inaltnews.inTimes Now, রিপাবলিক ও NewsX-সহ বেশ কিছু ভারতীয় নিউজ সাইট এই চিঠিকে ভিত্তি করেই খবরে তুলে নেয় altnews.inপরে Alt News-এর অনুসন্ধানে বোঝা যায়, পাকিস্তানের সরকারি সূত্র এবং সংবাদমাধ্যম বলছে চিঠিটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক altnews.inআসলে PMশেখ হাসিনা ওই সময়ে অনুষ্টানে যোগ দিয়েছিলেন এবং তাঁর অফিস থেকে এমন কোনো মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়া যায়নি altnews.in

  • মূল বিষয়:দাবী ছিল পাকিস্তান PMশরিফ মারাত্মক অসুস্থ বা হাসপাতালে, যা একটি “বিশেষ চিঠি” দিয়ে জানা গেছে। রাষ্ট্রীয়াগারিক অপ্রকাশিত চিঠি বলে এই খবর বড় করা হয় altnews.in
  • ভুয়া কেন:উভয় পাকিস্তানি এবং ভারতীয় সূত্র (উল্লেখ্য Dawn নিউজ রিপোর্ট সহ) নিশ্চিত করেছে যে চিঠিটি ভুয়া altnews.inচিঠিতে থাকা স্বাক্ষরকারী ব্যক্তিও আগেই বদলি করা হয়েছিল, তাই চিঠি কাল্পনিক বলে প্রমাণিত হয়েছে altnews.inPMনিজে এপ্রিল ২০২৫-এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন (টুইটবাই PMO-এর ছবি-সহ) এবং হাসপাতালে ছিলেন না altnews.in
  • প্রভাব:এ ধরনের গুজব দুই দেশের মধ্যকার সন্দেহ ও ভুল বোঝাবুঝি বাড়ায়। তথ্যহীন গুজব পাকিস্তান-ভারত সংঘাত বাড়াতে, দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক যোগাযোগ ব্যাহত করতে পারে।
  • প্রচার ও ভাইরাল কারণ:খবরটি প্রথম ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়, তারপর যেসব নিউজ সাইট বা চ্যানেল (রিপাবলিক, টাইমস নাউ) সেটি স্টোরিতে নেয় altnews.inaltnews.inসংবাদপত্র এবং অনলাইন প্লাটফর্মগুলো দুর্ঘটনাক্রমে “অফিসিয়াল সূত্র” উল্লেখ করায় পাঠক-দর্শকের কৌতূহল থাকে, ফলে দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেকে সামাজিক যোগাযোগে রেগুলার ফলো-শেয়ার করে যুক্তরাষ্ট্রে বা অন্য দেশে বসবাসরত ভারতীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়।

বাংলাদেশ-সম্পর্কিত গুজব

এছাড়াও এই সময়ে কিছু সংবাদ এবং ভিডিও বাংলাদেশ বা সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ, পশ্চিমবঙ্গে SIR (Specific Issue Registry) প্রক্রিয়া শুরু হতেই “বাকখালি থেকে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন চলছে” এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। কিন্তু India Today fact-checkদেখায়, ওই ভিডিও বাংলাদেশের কক্সবাজারের (বাঁকখালী নদীর তীরে) উচ্ছেদবিরোধী প্রতিবাদ কাণ্ডের bangla.aajtak.inঅর্থাৎ ঘটনাটি ভারতীয় নয় bangla.aajtak.inএ ধরনের মিথ্যা সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল মিথ্যাভাবে ধর্মীয় রং ফেলা এবং জনমনে বিভেদ সৃষ্টি করা।

  • মূল বিষয়:একটি ভুয়া দাবি গড়া হয় যে “বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা মুসলিমরা বকখালি থেকে পিষ হয়ে বের হচ্ছেন”। ভারতে অনলাইন-এ সেই ভিডিও ছড়ানো হয়।
  • ভুয়া কেন:ফ্যাক্ট-চেক অনুসারে ভাইরাল ভিডিওটি ভারতের নয়, বরং বাংলাদেশে ২০২৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের Cox’s Bazar-এর বাঁকখালীতে অবৈধ বসতি উচ্ছেদবিরোধী বিক্ষোভের দৃশ্য bangla.aajtak.inভিডিওতে যে সংবাদকর্মীর কোর্ট (Jamuna TV)রয়েছে, সেটি বাংলাদেশের চেন বিন্দুbangla.aajtak.inতাই ঘটনাটি বাস্তবের সঙ্গে কোন সম্পর্ক রাখে না।
  • প্রভাব:এ ধরনের গুজব ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং দেশীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মাঝে ভীতি ও সন্দেহ বাড়াতে পারে। মিথ্যা সংবাদে ভুল বোঝাবুঝি ও সামাজিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
  • প্রচার ও ভাইরাল কারণ:ভিডিওটি প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ত্রুটিপূর্ণ ক্যাপশনসহ ছড়ানো হয়, যাতে অনেকেই শেয়ার করেন। “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়নের” মতো সংবেদনশীল শিরোনাম থাকার কারণে তড়িঘড়ি করে ভাইরাল হয়। পরে প্রধান মিডিয়া হাউসগুলো বিষয়টি পর্যবেক্ষণে এনে fact-checkকরেছে। উল্লেখ্য, Aaj Tak Banglaসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম নিজেরাই ভুয়ো দাবিটা উড়িয়ে দিয়েছে bangla.aajtak.in

উপরোক্ত ঘটনাগুলো দেখায়যে সাম্প্রতিক সময়ে স্বনামধন্য কিছু টিভি চ্যানেল রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে অনেক সময় যাচাই-বহির্ভূত বা পুরনো ভিডিও/তথ্য তুলে নিয়ে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এই প্রকারের সংবাদ প্রচারে সাধারণত নাটকীয় শিরোনাম, লাইভ টকশোতে বিতর্কাত্মক বক্তৃতা ও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত শেয়ার ব্যবস্থা ভিউয়ারশিপ বাড়ায়। তবে নির্ভরযোগ্য ফ্যাক্ট-চেকারদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী এসব সংবাদ তুলনামূলকভাবেমিথ্যাএবং সেগুলো সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধিতে দায়ী altnews.inaltnews.inaltnews.inaltnews.incjp.org.incjp.org.inaltnews.inbangla.aajtak.in

তথ্যসূত্র:উল্লিখিত উদাহরণগুলির বিশ্লেষণ Alt News, BOOM Live, India Today Fact Checkপ্রভৃতি গণমাধ্যম Fact-Checkপ্রতিবেদনে পাওয়া গেছে altnews.inaltnews.inaltnews.inaltnews.incjp.org.incjp.org.inaltnews.inbangla.aajtak.inএসব সূত্র অনুসারে প্রতিটি ঘটনা ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

 

সব সংবাদ