আমাকে চায়ের দোকানে কেউ দেখে না

বাংলা সিডনী ডট কম. অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রকাশিত একটি ঐতহ্যবাহী অনলাইন পোর্টাল, গত ২০ বছর ধরে বাংলা ভাষাভাষী এবং অন্যান্য কমিউনিটিকে সেবা দিয়ে আসছে নিয়মিত নিউজ, ভিডিও, লেখালেখি ও সমাজসেবা মূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে। বিগত ২০০৩ সাল থেকে এই অনলাইন ভিত্তিক পত্রিকাটি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের বাংলা সংস্কৃতি ও কৃষ্টি বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
অনলাইন পোর্টালটি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলা সহ মূলধারার নানা সংবাদ প্রচার করার পাশাপাশি বিশ্বের নানা প্রান্তে বসবাসরত কবি, সাহিত্যিক, লেখকদের লেখা নিয়মিত প্রকাশ করে। এছাড়া সংবাদ ও লেখা প্রকাশের পাশাপাশি পত্রিকাটি ভিডিও চিত্র, সাক্ষাৎকার, সামাজিক অনুষ্ঠান প্রচার ও সমাজ সেবামূলক নানা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলা কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ঘটছে। প্রতিদিনের ঘটনা প্রবাহ, সাপ্তায়ান্তের বিনোদন কিংবা প্রয়োজনীয় কোন ভিডিও, সাক্ষাৎকার যা বাংলা কমিউনিটিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হয় সে ধরনের সকল আয়োজন বাংলা-সিডনীর আর্কাইভের পাতায় সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে।
অনলাইন পত্রিকাটির কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলা-সিডনী’র লেখক-সম্পাদক আনিসুর রহমান জানান, দক্ষ ও নতুন লেখকদের লেখা প্রকাশের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের নানা সংবাদ ও কমিউনিটির উন্নয়নমূলক বিষয়গুলো ছোট্ট ভিডিও ক্লিপের মাধ্যমে রিপোর্ট, ডকুমেন্টারি বা শর্ট-ফিল্মের আকারে সবার কাছে পৌঁছে দিতে বাংলা-সিডনি’ আন্তরিক চেষ্টা করে গেছে সব সময়।
তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেখতে দেখতে ২০ বছর অতিবাহিত হয়ে গেল! বিশ্বাস হতে চায়না! মনে হয় এইতো সেদিন শুরু হলো! বিশ বছরে বাংলা-সিডনীতে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে ১৮০০’র মতো। এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপন, অনুষ্ঠান পরবর্তী রিপোর্ট, মন্তব্য, অসংখ্য ছবি এবং ও ভিডিও ক্লিপ তো আছেই। এই সবকিছু কিকরে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা যায় কিংবা পৌছে দেয়া যায় এ ব্যাপারে তিনি বাংলা-সিডনির শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরিকল্পনা করার আহবান জানান। পাশাপাশি বাংলা-সিডনীর পথ চলার এই দীর্ঘ পরিক্রমায় পাশে থাকার জন্য সম্পাদক আনিসুর রহমান লেখক-লেখিকা, পাঠক-পাঠিকা, ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: